দেশবাংলা

সাতক্ষীরা-২ আসনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে ভোটারদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

||ফয়জুল হক বাবু, সাতক্ষীরা||

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ সংসদীয় আসনে ইভিএম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এমনকি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও প্রার্থীদের মাঝেও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট কৌতুহল। অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষন ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারলেই নতুন এ প্রযুক্তি টেকসই হতে পারে।

তা না হলে এ প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ার আশাংকা রয়েছে। তবে সাধারণ ভোটারা বলেছেন, অন্যান্য দল না চাইলেও ভোট কারচুপির জন্য ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ভারতের সীমান্ত ঘেষা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-২ আসন। এ আসনে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৯ জন ভোটার রয়েছে। যার মধ্যে  ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৮ জন পুরুষ ভোটার ও ১লাখ ৭৭ হাজার ২৯৮ জন নারী ভোটার রয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মাঝেও কৌতুহল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট রিটানিং অফিসার জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশনা পেয়ে  ইভিএম ব্যবহারে বাস্তবমূখী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষন ও ভোটারদের মাঝে সচেতনতামুলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। সাধারণ ভোটারা বলেন, ডিজিটাল কারচুপির জন্য সরকার ইভিএম ব্যবহার করতে চাচ্ছে।

উৎসাহ ও উদ্দিপনা নিয়ে ভোটাররা  ইভিএম গ্রহন করেছে বলে জানালেন, জেলা নাগরিক কমিটির এ নেতা।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে এ পদ্ধতির মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

ইভিএম যদি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা যায় তবে ভোটাররা এ প্রযুক্তির প্রতি আকৃষ্ট হবেন বলে মনে করেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নির্বাচন অফিস বলছে নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের মাধ্যমে ১০টি সুবিধা পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ভোটগ্রহণের আগে মেশিন চালু না হওয়া ও মেশিন ছিনতাই হলেও অবৈধ ভোটদান বন্ধ, পাসওর্য়াড সুরক্ষিত থাকায় অনুমোদিত ব্যক্তির বাইরে মেশিন চালু করা সম্ভব নয়।

বাংলাটিভি/এবি

সংশ্লিষ্ট খবর

Close