আইন-বিচারবাংলাদেশ

জামিন পেলেন শহিদুল আলম

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার জামিন বিষয়ে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ  তাকে জামিনের এ আদেশ দেন।

আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।

এর আগে গত ১ নভেম্বর শহীদুল আলমের জামিন বিষয়ে শুনানি করে মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় আল-জাজিরায় প্রচারিত শহিদুল আলমের সাক্ষাৎকারের ভিডিও এবং ফেসবুক লাইভের বেশ কয়েকটি ভিডিও দেখেন বিচারপতিরা।

গত ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার হন শহিদুল আলম। সাতদিনের রিমান্ড শেষে নিম্ন আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে পাঠানোর দুইদিন পর ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন। এরপর ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ এগোনোর জন্য আবেদন করা হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।

২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ২৯ আগস্ট আবেদনটি শুনানির জন্য আরজি জানানো হয়। ৪ সেপ্টেম্বর আবেদনটির ওপর শুনানিতে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চের একজন বিচারপতি বিব্রতবোধ করেন।

পরে শহিদুল আলমের জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য অন্য বেঞ্চে পাঠানো হয়।

রায়ের পরে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, যেহেতু তিনি এই উপমহাদেশের, এমনকি সারাবিশ্বের একজন নামকরা আলোকচিত্রী, এই বিষয়টাও আদালত বিবেচনায় নিয়েছেন। এই মুহূর্তে উনার মুক্তি পেতে বাধা নেই। সরকার যদি আবারও বিরোধীতা করে- সেটা পরে দেখা যাবে।

আর রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে যাবে বলে জানিয়েছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলী জিন্নাহ।

বাংলাটিভি/এসএম/এবি

সংশ্লিষ্ট খবর

Close