দুর্ঘটনাবাংলাদেশ

আটক করা হলো আত্মঘাতী ডা. আকাশের স্ত্রী মিতুকে

স্ত্রীর ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক ও পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টা ২৬ মিনিটে নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্ট করেন ডা. আকাশ।  এরপরই আত্বহত্যার পথ বেছে নেন এই চিকিৎসক। মেডিকেলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যার ছিল সড়ব আনাগোনা তাকে পাওয়া গেল মর্গে নিথর হয়ে পড়ে থাকতে। কাল সাড়ে ছয়টার সময় নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ডা. মো. মোস্তফা মোরশেদ আকাশের অচেতন দেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঝড় উঠে। ধিক্ষার আসতে থাকে স্ত্রী মিতুর নামে। বিচারের দাবী জানায় আকাশের মাসহ আত্বীয়রা। তারই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিতুর বাবার বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একটি দল। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, মিতুর বিরুদ্ধে আকাশকে আত্মহত্যা প্ররোচণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মৃত্যুর আগে আকাশ তার ফেইসবুকের ওয়ালে করা পোষ্টে স্ত্রী ডা. তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর সঙ্গে পরিচয় এবং বিয়ের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। সাথে বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেন। স্ত্রীর সাথে অন্য একাধিক যুবকের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি এবং মোবাইলে আদানপ্রদান করা কিছু টেক্সট মেসেজের স্ক্রিনশটও পোস্ট করেন তিনি। আকাশ স্টোসে  আরো বলেন, আমি এই বেইমানি মেনে নিতে পারি নাই। তারপরও ভুলে আমি সুন্দর সংসার করতে চাইছি আমার শাশুড়ি, শ্বশুড় আর বউ নামের কলংক করতে দিল না। আমাকে প্রতিনিয়ত প্রেশার দিয়ে গেছে আমার বউ। আমার মা’র নামে যা তা বলে গেছে। আমাকে ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাইতে বলছি ১০০ বার। আমি বোকা ছিলাম তুমি সুখে থেক। অনেকে ওর ফ্যান, বিলিভ করবে না আমি জানি। তবে এটাই সঠিক, মরার আগে কেউ মিথ্যা বলে না আর বাইরে থেকে মানুষের ভিতরের চেহারা বুঝা যায় না। ও সুন্দরী, পড়ায় ভালো, গান পারে সত্য কিন্তু ও ভালো অভিনেত্রী ভালো চিটার। যাদের ঈচ্ছা বিলিভ করেন যাদের ইচ্ছা নাই করবে না। তবে কাউকে ভালোবেসে চিটারগিরি করো না।’

বাংলাটিভি/কায়েস

সংশ্লিষ্ট খবর

Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker