জাতীয় নির্বাচননির্বাচনবাংলাদেশ

নির্বাচনকালীন সময়ে নেটওয়ার্ক 2G ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের দাবী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর

আগামী ৩০ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেশের একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রচার-প্রচারণা থেকে শুরু করে নির্বাচনী হালছাল নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো সরগরম। নির্বাচনকালীন সময়ে গুজব মোকাবিলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাবনা উঠে এসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় সভায়। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভায় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব সুপারিশ করা হয়েছে।

এসময় সভায় নির্বাচনের আগে ও পরে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে আনা, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ওপর বিশেষ নজর রাখা। যাতে বিশেষ কোনো গোষ্ঠী পর্যবেক্ষণের আড়ালে অপপ্রচার চালাতে না পারে।

এছাড়াও সভায় নির্বাচনের দিন গণমাধ্যমকর্মীদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপের ওপর পুলিশের পক্ষ থেকে করণীয় নির্ধারণে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ভোট চলাকালীন সময় কেন্দ্রের গোপন কক্ষে সাংবাদিকরা ছবি তোলা, ভিডিও করা ও সরাসরি সম্প্রচার করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করতে শিগগিরই কমিশন থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হতে পারে।

ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ, মোবাইল নেটওয়ার্কিংয়ের গতি কমানো, ভোটের দুই দিন আগে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে ফোরজি থেকে টুজিতে নামানো, ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের ভেতরে গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে তা নিয়েও আলোচনা হয়। এর মাধ্যমে কমিশন গণমাধ্যম আইনের কঠোর প্রয়োগ ব্যবহার করতে চান।

সভায় নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধে ভোটের তিন দিন আগে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করার প্রস্তবনা দেয়া হয়। এই প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয় নির্বাচনকালীন সময়ে বিদেশ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা আসতে পারে। এসব টাকা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইসিকে অনুরোধ করেছেন।

বাংলাটিভি/এমআরকে

সংশ্লিষ্ট খবর

Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker