জাতীয় নির্বাচননির্বাচনবাংলাদেশ

২৪ ডিসেম্বর থেকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনী

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে মনে রেখেই কৌশল অবলম্বনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশও দিন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও-এ নির্বাচন কমিশন ভবনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় ভোটের ভাগ্য সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে না দেয়ার নির্দেশও দেন কেএম নুরুল হুদা। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য পেশাদারিত্বের সাথে কৌশল অবলম্বন করেই আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে দায়িত্ব পালন করার পরামর্শ দেন তিনি।

এসময় তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তা ভুলে গেলে চলবে না। গত দুই দিন ধরে নির্বাচনী প্রচারের সহিংসতার ঘটনা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তির পায়তারা কি না খতিয়ে দেখতে হবে। তিনি বলেন, আর যেন সেই পাঁয়তারা না হয়।

সিইসি বলেন, ২০১৪ সালে সব বাহিনী মাঠে ছিল। তারপরও কি দেখেছি। পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, রিটার্নিং কর্মকর্তা, শত শত মানুষ নিহত হয়েছে।আর যেন সেই পরিবেশ সৃষ্টি না হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আশঙ্কাগুলোকে একেবারে অবহেলা করতে পারি না। পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি বলেন, ভোটভাগ্য সন্ত্রাসীদের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না। প্রত্যেক এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাস্তানদের তালিকা তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের আটক করতে হবে।

একাদশ নির্বাচনকে ঘিরে ২০১৪ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর আলামত চলছে সেসব বন্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ সিইসির। এসব ঘটনা তৃতীয় কোনো শক্তির উত্থানের আলামত কিনা খতিয়ে দেখার জন্য সব গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেন সিইসি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান ও প্রতিনিধি, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধান ও প্রতিনিধিরা।

বাংলাটিভি/এমআরকে

সংশ্লিষ্ট খবর

Close