আন্তর্জাতিকবাংলাদেশরাজনীতি

টানেলের যুগে বাংলাদেশ; আজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এর আগে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বনানীর সেতু ভবনে সেতু কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেল বোরিং মেশিনটি চালুর মাধ্যমে কর্ণফুলী টানেল খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এ পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ।

২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সিকিউরিটি সাপোর্ট ইউনিট কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্প এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করবে। চার বছর মেয়াদি এ টানেল নির্মাণ প্রকল্পের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে নৌবাহিনী।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কর্ণফুলী নদী চট্টগ্রাম শহরকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। এক ভাগে রয়েছে নগর ও বন্দর এবং অন্য ভাগে রয়েছে ভারী শিল্প এলাকা। কর্ণফুলী নদীতে এরই মধ্যে তিনটি সেতু নির্মিত হয়েছে। তবে এসব সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য যথেষ্ট নয়।

২টি টিউব সম্বলিত মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিলোমিটার এবং টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫.৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজসহ এই টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সাথে যুক্ত করবে।

মরফলজিক্যাল বৈশিষ্ট অনুযায়ী কর্ণফুলী নদীর তলদেশে পলি জমা একটি বড় সমস্যা। এ পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বন্দর কার্যকর রাখার জন্যও বড় হুমকি। এই পলি জমার সমস্যা মোকাবেলায় নদীর ওপর আর কোনো সেতু নির্মাণ না করে তলদেশে টানেল নির্মাণ করা প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন।

উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত টানেল সাইটে নদীর প্রস্থ ৭০০ মিটার এবং পানির গভীরতা ৯-১১ মিটার। প্রস্তাবিত টানেলের দৈর্ঘ্য তিন হাজার ৪০০ মিটার। ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর টানেল নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি সই হয়।

বাংলাটিভি/রাজ 

সংশ্লিষ্ট খবর

Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker