অপরাধবাংলাদেশ

সাতক্ষীরার শিশু ধর্ষণ, পুকুরে ছুড়ে হত্যা

||  গোপাল কুমার  ||
প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল শিশুটি। ধর্ষণের পর মৃত ভেবে নিষ্পাপ সেই শিশুটিকে পুকুরে নিক্ষেপ করে হত্যা করেছে এক দুর্বৃত্ত। পুলিশ ধর্ষক ঘাতক জয়দেব সরকারকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে। শিশুটির নাম সুষ্মিতা দাস। গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সুষ্মিতা একই গ্রামের প্রশান্ত দাসের মেয়ে। বাবা প্রশান্ত দাস জানান তার মেয়ে একই গ্রামের অম্বিকা রানী সরকারের কাছে রোজ সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তো। রোববারও সে তার কাছে পড়তে গিয়ে জানতে পারে অম্বিকা বাড়িতে নেই।

এ খবর জানিয়ে অম্বিকার ভাই জয়দেব সরকার শিশুটিকে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিকটস্থ একটি দোকানে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে খাবার খাইয়ে ফের বাড়িতে নিয়ে আসে । বাড়িতে এ সময় অন্য কেউ না থাকার সুযোগে জয়দেব মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মৃত ভেবে তাকে বাড়ির পুকুরে ছুড়ে ফেলে দেয় জয়দেব। খোঁজাখুঁজি শুরু হলে জয়দেব শিশুটির লাশ ফের তুলে এনে বাড়ির বাথরুমে রেখে দেয়। রাত ১১ টায় গ্রামবাসী লাশটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। এ সময় তারা জয়দেবকে আটকে রাখে । জয়দেব সরকার মেয়েটিকে ধর্ষণ ও তাকে পুকুরে ছুড়ে ফেলার ঘটনা স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে। জয়দেব একই গ্রামের নির্মল সরকারের ছেলে ও বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েটে স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, শিশুটির লাশ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জয়দেবকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন তাকে ধর্ষণ এবং পুকুরে ফেলে পরে আবার তুলে এনে বাথরুমে রেখে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে।

বাংলাটিভি/প্রিন্স

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close