অন্যান্যআইন-বিচারদেশবাংলাবাংলাদেশ

সিলগালা করে দেয়া হয়েছে বিজিএমইএ ভবন

রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুমোদন ছাড়া বিজিএমইএ ভবন সিলগালা করে দিয়েছে রাজউক। এর আগে দিনভর ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়। আদালতের রায় অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর সহায়তায়, চীনা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ভবনটি ভাঙ্গা হবে বলে জানিয়েছে রাজউক। তবে ঠিক কবে নাগাদ ভাঙ্গার প্রক্রিয়া শুরু হবে তা এখনও ঠিক হয়নি।

আদালতে দেয়া মুচলেকা অনুযায়ী ১২ই এপ্রিল শুক্রবার ছিলো রাজধানীর হাতিরঝিলের ভবন থেকে বিজিএমইএ’র অফিস সরানোর শেষ দিন।

ফাঁকা ভবন ভাঙ্গতে তাই মঙ্গলবার সকালেই উদ্যোগ নেয় রাজউক। তবে ভাড়া দেয়া কিছু প্রতিষ্ঠানের অফিস এবং বেসরকারি ব্যাংকের শাখা থাকায় সেগুলো সরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত ভাঙ্গার কাজ শুরু করা যায়নি। তবে ভবনের গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ ইতোমধ্যে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, ভবনের গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এছাড়া ভবনে যেসব ভাড়া অফিসগুলো রিয়েছে তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলে অফিস সরানোর জন্য সময় বেধে দিয়েছি। সেগুলো সরানোর কাজ শেষ হলেই আমরা ভবন অপসারণ কাজ শুরু করে দিব।

এদিকে, ভবন ভাঙ্গতে আরো একবছর সময় চেয়ে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে করা আবেদন চেম্বার আদালতে উপস্থাপিত না হওয়ায় শুনানিও হয়নি।

অ্যামিকাস কিউরি মনজিল মোরশেদ জানান, তারা কিন্তু ১২ তারিখের আগে থেকেই তাদের জিনিস পত্র সরানোর কাজ শুরু করেছে। তারা যেহেতু আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিনিস পত্র সরানো শুরু করে দিয়েছে তাই তাদের আর সময় চাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা শুনেছি তারা আবেদন করেছে,কিন্তু আমরা এর কোন কপি পাই নি। যদি তারা এমন কোন আবেদন করে থাকে তাহলে তা আদালত অবমাননার সামিল হবে।

তবে আদালতে আবেদনের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, যেহেতু আমি মুচলেকা দিয়েছি আমাকে সময় দেয়ার জন্য, আদালত আমাকে ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। আমি আমার কথা রেখে আমাদের নিজস্ব ভবনে চলে এসেছি। আর নতুন করে সময় চেয়ে আমি কোন আবেদন করি নাই।

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চীনা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ভাঙা হবে বিজিএমইএ’র বহুতল ভনটি।  পুরো কাজ শেষ হতে সময় লাগবে এক সপ্তাহ।

বাংলাটিভি/রাজ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close