
ঈদ ঘনিয়ে আসায় সারাদেশেও জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট।ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় এখন মুখর প্রতিটি হাট।কেনা-বেচাও শুরু হয়েছে ইতোমধ্যেই।
নেত্রকোনায় জমে উঠেছে স্থায়ী-অস্থায়ী প্রায় ৩’শ পশুর হাট। প্রতিবছর জেলার কয়েক লাখ গরু-ছাগল বেচাকেনা হয় এ হাটগুলোতে। এবার পর্যাপ্ত দেশী গরু থাকায় দাম নাগালের মধ্যে রয়েছে বলে জানালেন, ক্রেতারা।
মাদারীপুরেও জমে উঠেছে কোরবানীর হাট। ভারতীয় গরু না আসায় এবার খুশি এখানকার বিক্রেতারা। জেলায় গরু মোটাতাজাকরণে রাসায়নিকের ব্যবহার হয়েছে কি-না তা পরীক্ষায় কাজ করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ৩০টি টিম।
হাটগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করছে আইন-শৃংখলা রক্ষা বাহিনী।
এদিকে, কিশোরগঞ্জে প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজা করা গরু হাটে নিতে শুরু করেছেন খামারীরা। এ বছর জেলার ১৩ উপজেলায় ৯৫ লাখ ৭শ ২০টি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব অন্য জেলাতেও পাঠানো যাবে বলে জানান এই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুরে বিশাল গরুর হাট বসলেও বন্যার কারণে ক্রেতার সমাগম কম। এ নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় খামারীরা।
অন্যদিকে হাটে আনা প্রতিটি গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান, উপজেলা ভেটেনারী কর্মকর্তা।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় তিহাস বাহি কাশর কৈন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন হবিরবাড়ি বাজারে সবচেয়ে বড় কোরবানি পশুর হাট বসেছে।এখানে বিনা খাজনা সুযোগ সুবিধা রয়েছে ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য।
বাংলাটিভি/শহীদ



