দেশবাংলা

বেকরত্ব ঘোচাতে সাপের খামার

হাঁস, মুরগি কিংবা গরু-ছাগলের খামার করে, অনেক বেকার যুবকের সফলতার খবর পাওয়া যায়। তবে, এবার সাপের খামার করে বেকরত্ব ঘোচাতে চেষ্টা করছেন, পটুয়াখালী সদর উপজেলার নন্দীপাড়া গ্রামের এক যুবক।

দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরে, নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখেন আব্দুর রাজ্জাক। ২০০০ সালে নিজের ১ একর জমির ওপর গড়ে তোলেন, সাপের খামার। মাত্র একটি গোখরা ও ২৪টি ডিম নিয়ে যাত্রা শুরু করা খামারটিতে, বর্তমানে বিভিন্ন জাতের বিষধর ২শ ৫০টি সাপ রয়েছে।

একটি পাকা ঘরে প্লাস্টিকের খাঁচায় রাখা হয় সাপগুলোকে। কিন্তু খামার করার পর দীর্ঘ ১৯ বছর বন বিভাগ, প্রাণি সম্পদ, পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ, বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে একাধিকবার ঘুরেও মেলেনি লাইসেন্স। ছাড়পত্র না পাওয়ায় বিষ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে, লোকসানের পাশাপাশি কর্মচারীদের বেতন দিতেও বিপাকে পড়েছেন এ উদ্যোক্তা।

সাপের পরিচর্যায় প্রতিদিন ৮-১০ জন কাজ করেন। বেতন না পেয়ে অনেক কর্মচারী কাজ ছেড়ে চলেও যাচ্ছেন।

নিরাপত্তা বেষ্টনি, বিষ সংরক্ষনের ব্যবস্থা এবং কি কি ধরনের সাপ রয়েছে তার রেকর্ড নেই। পাশাপাশি এন্টি ভেনাম এর কোন ব্যবস্থাসহ খামারের কোন কর্মীকে সাপে কামড়ালে, দ্রুত চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায়, লাইসেন্স দেয়া হয়নি বলে জানান, পটুয়াখালী জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।

নিরাপত্তা বেষ্টনিসহ জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর থেকে দেয়া সব নির্দেশাবলী মেনে খামার পরিচালনা করলে, এ উদ্যোগ সফল হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close