দেশবাংলা

এক বাঁশি প্রেমিকের সাফল্যের গল্প

নীলফামারীর অজ পাড়া গাঁয়ের এক যুবককে বাঁশি বাজানোর কারণে ঘর ছেড়ে ঠাঁই নিতে হয়েছিলো, খোলা মাঠেঁর একটি সেচ ঘরে। সময়ের ব্যবধানে সেই সেচ ঘর এখন বাঁশি তৈরীর কারখানা। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে সুর মিলিয়ে তৈরী করছেন, বাঁশি। তার বাঁশি কিনতে দুর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন বাঁশিপ্রেমীরা।

বাঁশিওয়ালা বাবুল ইসলাম সুর তৈরীর নানা কৌশল ও সাফল্যের পেছনের গল্প তুলে ধরে বলেন, সুর ও বাঁশিকে ভালবাসার কারণে ৪ বছর আগে ঘর ছাড়তে হয়েছিলেঅ আমাকে। ঠাঁই নিয়েছিলাম সেচ ঘরে। সব পারলেও স্কেল অনুযায়ী সুর আয়ত্ব হচ্ছিলো না। অবশেষে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে সুর মিলিয়ে নেমে পড়লাম বাঁশি তৈরীতে।

সময়ের ব্যবধানে নীলফামারীর ডোমার ইউনিয়নের বাঁশি প্রেমিক যুবক বাবুল ইসলামের সেই ছোট্ট সেচ ঘরই এখন এখন বাশির কারখানা। দূরদূরান্ত থেকে আসতে থাকে বাশীয়াল খরিদদার।

ক্রেতা ও কীর্তনীয়া দলের বাশীবাদক গৌরাঙ্গ রায় বলেন, বাবুল ইসলামের বাঁশির সুর আর বাঁশি, এখন দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে বাশীবাদক মহলে ।

এখন দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও বিক্রি হচ্ছে তার বাঁশি। বছরে আট দশ হাজার বাশী বিক্রি করেন তিনি। তার এ সাফল্যে পাড়া প্রতিবেশীসহ পরিবার মেনে নিয়েছে বাঁশি তৈরীর কারিগর বাবুলকে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close