দেশবাংলা

নির্মাণ কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে ভবনটি

নির্মাণ কাজ শেষ হলেও প্রায় একবছর ধরে পড়ে আছে শেরপুর সদর হাসপাতালের ২৫০ শয্যার ৮ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করলেও এখনো চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাববিহীন ফাঁকা পড়ে আছে পুরো ভবনটি। ফলে, উন্নত স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

গণপূর্ত বিভাগ বলছে, কাজ শেষ হলেও ভবন বুঝে নিচ্ছেন না সিভিল সার্জন। আর সিভিল সার্জন বলছেন, বুঝে নেয়ার জন্য সার্ভে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। পরে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ৩৬ কোটি টাকায় কাজটি সম্পন্ন করতে, গণপূর্ত বিভাগের কার্যাদেশ পেয়ে, কাজ শুরু করেন নূরানী কন্সট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষে, গেল বছরের ১৮ আগষ্ট গণপূর্ত বিভাগকে ভবনটি বুঝিয়ে দেন তারা।

২০১৮ সালের ২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন ঘোষণা করলেও, জনবল সংকটসহ নানা জটিলতায় হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। ফলে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত জেলার ১৫ লক্ষাধিক মানুষ।

হাসপাতাল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার পর সিভিল সার্জনকে ভবনটি বুঝে নেয়ার জন্য তাগাদাপত্র দিয়েছেন বলে জানালেন, শেরপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান।

এদিকে সার্ভে কমিটির রিপোর্ট পেলে বর্তমান জনবল ও আসবাবপত্র দিয়েই কাজ শুরু করে, জনবলের জন্য চাহিদাপত্র পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন, শেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম।

আড়াইশ শয্যার এই হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ শতাধিক চিকিৎসকের কাছ থেকে শেরপুরের জনগণ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে মনে করেন, সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close