অপরাধবাংলাদেশ

যেভাবে শিশু তুহিনকে হত্যা করা হয়

তুহিনের লাশ উদ্ধারের পর জনমনে প্রশ্ন উঠে কে বা কারা এই হত্যার সাথে জড়িত, আর কেনোই বা এতোটুকু শিশুকে এতোটা নির্মমভাবে হত্যা করা হলো ?

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ঘুমে আচ্ছন্ন পাঁচ বছরের শিশু তুহিনকে কোলে করে ঘরের বাইরে নিয়ে যান তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির। বাবার কোলে থাকা অবস্থায় তুহিনের চাচা ও চাচাত ভাই কান ও লিঙ্গ কেটে দিলে প্রচণ্ড ব্যাথায় শিশু তুহিন চিৎকার করে উঠে। এসময় বাবা বাছির তার মুখ চেপে ধরেন।

এরপর তুহিনের বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাই মিলে তাকে হত্যা করে। হত্যা শেষে তুহিনের লাশ গাছের ডালে ঝুলিয়ে দেয় তারা।

পুলিশ আরও জানায়, তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির; চাচা মাওলানা আব্দুল মোছাব্বির, জমসেদ মিয়া, নাছির ও জাকিরুল; চাচি খয়রুন বেগম এবং চাচাত বোন তানিয়াকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদেই তুহিনের হত্যাকারীদের পরিচয় জানা যায়। এদের মধ্যে দু’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

১৫ অক্টোবর সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

এর আগে গত রোববার (১৩ অক্টোবর) রাতে  সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের রাজানগর ইউনিয়নের কাজাউড়া গ্রামে নিহত শিশু তুহিনকে বাড়ির পাশে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে ছিল ধারালো অস্ত্রের আঘাত, দু’টি ছুরি ঢোকানো ছিল তার পেটে। এছাড়াও তার কান ও লিঙ্গ কেটে নেওয়া হয়েছিলো।

এরপর মঙ্গলবার তুহিনের মা মিনারা বেগম বাদী হয়ে ১০ -১২ জনকে আসামি করে দিরাই থানায় মামলা দায়ের করেন।

 নূর | বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close