নির্মাতাদের জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের পরামর্শ

নিজস্ব ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ করে বিশ্বদরবারে নিজেদের অবস্থান তৈরির করতে নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের আহ্বান জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
গত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে তথ্য মন্ত্রণালয়। এবার গত দুই বছরের ২৮টি শাখায় ৬৩ জন পুরস্কৃত হয়েছেন।
২০১৭ সালের জন্য আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনয়শিল্পী এটিএম শামসুজ্জামান ও সুজাতা। আর ২০১৮ সালের জন্য এ সম্মাননা পেয়েছেন অভিনেতা প্রবীর মিত্র ও আলমগীর।
পুরস্কার প্রদান শেষে বাংলাদেশে প্রতিভার ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি দেশের চলচ্চিত্রের বিকাশে প্রতিষ্ঠিত নির্মাতাদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমার বিবেচনায় আমাদের টিভি নাটকগুলো শ্রেষ্ঠ। আর সিনেমাগুলো জীবন ঘনিষ্ঠ, আমার খুব ভালো লাগে। তবে আমি খুব বেশি সিনেমা ও টিভি দেখার সুযোগ পাই না। ফাইল দেখতে দেখতে আর নথি পড়তে পড়তেই দিন শেষ হয়ে যায়।
তবে দেশে সুযোগ না পেলেও আমি বিদেশে যখন যাই বিমানে উঠলেই সিনেমা দেখি। এসময় আরও জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য নির্মাতাদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।



