অন্যান্যবাংলাদেশ

পুরো গ্যালারি তখন আনন্দে আত্মহারা

ক্যাটরিনা ও সালমান একসঙ্গে বলে উঠলেন ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। তাতে গ্যালারিতে ওঠে গর্জন। পুরো গ্যালারি তখন আনন্দে আত্মহারা। বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতীয় এই দুই তারকার বাংলা ভাষায় জাতির জনককে স্মরণ বাংলাদেশি দর্শকদের করে আপ্লুত।

রোববার সন্ধ্যায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধন ঘোষণার পরই মিরপুর শেরেবাংলার আকাশে শুরু হয় বর্ণিল আতশবাজি। দর্শকদের হর্ষধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় পুরো মাঠ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এবারের বিপিএল টুর্নামেন্ট, যেন সফল ও সার্থক হয়, সে আশা ব্যক্ত করে আসরের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তখনও শুরু হয়নি মূল আয়োজন, স্টেজে মাত্রই উঠলেন নগর বাউলখ্যাত জেমস। সিডিউল ছিল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার মধ্যে মিরপুর স্টেডিয়ামে উপস্থিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ক্রীড়া পাগল এই ব্যক্তির যেন তর সইছিল না। নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা চল্লিশ মিনিট আগেই সেোনে উপস্থিত হন তিনি।

এরপরই স্টেডিয়াম জুড়ে শুরু হয় আতশবাজির ঝলকানি। প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে মিউজিকের তালে তালে চলে আতশবাজি। যার শেষটা হয় সাইড স্কিনে বিপিএলের লোগো দেখানোর মাধ্যমে। এরপর স্টেজ মাতান সনু নিগম।

একের পর এক সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শক মাতিয়ে রাখেন তিনি। তার শো শেষে মঞ্চে উপস্থিত হন, ২৫টি ভাষায় দেড় হাজার গান গাওয়া এবং বারশোটি কনসার্ট করা কৈলাস খের।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ মঞ্চে উঠবেন একদম শেষে। ক্যাটরিনার সঙ্গে সালমানের ডুয়েট পারফরম্যান্সের শেষ হয় আয়োজন।

এরআগে ৫টা ৪০ মিনিটে শুরু হয় বিপিএলের আনুষ্ঠানিকতা। ডি-রকস্টার চ্যাম্পিয়ন শুভর গানে শুরু হয় এ আয়োজন। পরে রেশমি মির্জা গান পরিবেশন করেন। শেষ হয় জেমসের পর্বও।

আগামী ১১ ডিসেম্বর শুরু হবে বিপিএলের ব্যাট-বলের লড়াই। শেষ হবে ১৮ জানুয়ারি। খেলা হবে মিরপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট ভেন্যুতে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close