ঢালিউডবিনোদন

স্কুলছাত্রী থেকে চিত্রনায়িকা

স্কুলে পড়ার সময়ই বাংলাদেশের রুপালি পর্দায় দ্যুতি ছড়িয়েছেন যেসব গুণী অভিনেত্রী। আলোকিত হয়েছেন-তাদের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে। তাদের কয়েকজনের সংক্ষিপ্ত গল্প তুলে ধরা হলো।

মাত্র নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবির মধ্য দিয়ে পূর্ণিমার চলচ্চিত্র জগতে পথচলা শুরু হয়। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে। এরপর ২০১০ সালে ড. তুহিন মালিক পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

মাত্র ১৩ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে পা রাখেন শাবনূর। ১৯৭৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এই অভিনেত্রী। পারিবারিক ভাবে তার নাম রাখা হয় কাজী শারমিন নাহিদ নূপুর। শাবনূরের প্রথম চলচ্চিত্র ‘চাঁদনী রাতে’। সিনেমাটি ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায়।

১৯৬৭ সালে ‘চকোরী’ চলচ্চিত্রে চিত্রনায়ক নাদিমের বিপরীতে তাঁর চলচ্চিত্রে আবির্ভাব ঘটে শাবানার। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে মাত্র ৯ বছর বয়সে। আর পর্দায় অভিষেক ১৫ বছর বয়সে। শাবানার প্রকৃত নাম রত্না। ১১বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

১৯৬৯ সালে শেষ পর্যন্ত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন প্রথম নায়িকা চরিত্রে। তাঁর কর্মজীবনের শুরুতে ভগ্নিপতি জহির রায়হানের পথ প্রদর্শনে চললেও পরে তিনি একাই পথ চলেছেন। পরে নিজ দক্ষতায় নিজেকে পরিমার্জিত করে তোলেন একজন আদর্শ শিল্পীর মাত্রায়।

ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায় ‘কেন ভালোবাসলাম’ ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে নাম লেখান রত্না। অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হন রত্না, কাজ করেন শীর্ষ নায়কদের সাথেও। কিন্তু চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার জোয়ার বইতে শুরু করলে নিজেকে গুটিয়ে নেন চলচ্চিত্র থেকে। এ সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজকল্যাণ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্তমান সময়ের আলোচিত নায়িকা পূজা চেরি। পোড়ামন ২ ছবির নায়িকা হিসেবে অভিনয় করে শিশুশিল্পী পূজা চেরির সিনেমায় অভিষেক ঘটে। তখন তিনি নবম শ্রেণিতে পড়েন মাত্র। স্কুলের গণ্ডি না পেরোতেই দুই ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন পূজা চেরি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button