দেশবাংলা

সিঙ্গাপুরের আদলে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে উত্তাল সাগর ঘেঁষে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ব্রেকওয়াটারসহ দীর্ঘ ১১ কিলোমিটার লম্বা চ্যানেল। এখানেই গড়ে উঠবে গভীর সমুদ্রবন্দর, চলছে তার কর্মযজ্ঞ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০৪৩ সালের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন এ বন্দরের বিকল্প নেই।

আর নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় বলছে, মাতারবাড়িকে ঘিরে গড়ে তোলা হবে পরিকল্পিত শিল্পনগরী। মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নির্মাণে সম্ভ্যাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা।

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম। বন্দরের জেটির গভীরতা মাত্র সাড়ে ৯ মিটার। তাই আড়াইহাজারের বেশি কন্টেইনার ধারণক্ষমতার মাদার ভেসেলকে পণ্য খালাস করতে হয় বহিনোঙ্গরে। এতে সময় ও খরচ দুটোই লাগে বাড়তি।

তাই, বড়বড় বানিজ্যিক জাহাজের পন্য খালাসের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের নির্মাণকাজ। ইতোমধ্যে সেখানে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সমুদ্রের ঢেউ থামাতে ১৬ মিটার গভীর ও তিনশো মিটার প্রস্থের ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল তৈরি করা হয়েছে।

আলাদা দুটি জেটির মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে বেসিন বানিয়ে ইয়ার্ডসহ ২টি কন্টেইনার আর মাল্টিপারপাস টার্মিনাল বানাতে চায় বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলছে জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০৪৩ সালের মাস্টারপ্ল্যানকে বাস্তবে রূপ দিতে এর বিকল্প নেই।

বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বন্দরে সীমাবদ্ধ না থেকে মাতারবাড়ি এলাকাটি আগামীতে শিল্পনগরী হিসেবেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানালেন, সরকারের নৌ-পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

আবু মুছা জীবন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close