দেশবাংলা

লকডাউনের মধ্যেই গাজীপুরে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড

বুধবার মধ্যরাতে কে বা কারা ঘরে ঢুকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তারা ধর্ষণের আলামত পেয়েছে। বাড়িতেই তিন সন্তানকে নিয়ে থাকতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী কাজলের স্ত্রী ফাতেমা।

পাশের ভবনটিতেই থাকতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী কাজলের ভাই। লকডাউনের সময় ভাইয়ের পরিবারকে বাজার করে দিতেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে পুরো পরিবারই বাড়ি থেকে বের হতেন না। বুধবার সকালে ফাতেমার দেবর আরিফ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার নিয়ে বাসায় যান।

তখন অনেক ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পেছনের বেলকনির দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পান। এ পরিবারটির কারো সঙ্গেই কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না বলে এলাকাবাসী জানান।

পুলিশ জানায়, মা ও মেয়েকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে ক্রাইম সিন। পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার বলেন, এদের বাবা মালয়েশিয়ায় বসবাস করে। দুই মেয়েও মালয়েশিয়ায় বসবাস করতো। কয়েক বছর আগে এখানে এসে বসবাস শুরু করে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

২০ বছর আগে কাজের জন্য মালয়েশিয়া গিয়ে বাংলাদেশের কাজলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে বিয়ে হয় ইন্দোনেশিয়ার স্মৃতি ফাতেমার। এর পর ১২ বছর আগে তিন সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের এ বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন ফাতেমা। তাদের বড় মেয়ে নুরা এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল, মেঝো মেয়ে হাওয়ারী ষষ্ঠ শ্রেণীতে ও আট বছরের ছেলে ফাজিল নার্সারিতে লেখাপড়া করত।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close