অন্যান্যজনদুর্ভোগবাংলাদেশ

কিট সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সময়মত পরীক্ষা করা যাচ্ছে না

 

দিন দিন করোনার সংক্রমণ বাড়লেও কিট সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই সময়মত পরীক্ষা করানো যাচ্ছে না।  কিট আমদানিকারক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর টাকা ছাড় না দেয়ায় সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। এভাবে চললে সপ্তাহ খানেক পর বন্ধ হয়ে যেতে পারে করোনার কিট আমদানি প্রক্রিয়া। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে শিগগিরই কেটে যাবে কিট সংকট। আর বেসরকারিভাবে কিট আমদানি ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

দেশে প্রতিদিনই রেকর্ড সংখ্যক হারে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এ অবস্থায় প্রতিদিন আরও বেশি করে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার নমুনা পরীক্ষার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটি।  কিন্তু বাস্তবে এর ভিন্ন চিত্র। গত কয়েকদিন ধরেই নমুনা পরীক্ষার পরিমাণ কমছে। এরই মধ্যে অনেকগুলো করোনা ল্যাব জানিয়েছে, কিট না থাকায় পরীক্ষা করাতে পারছে না তারা।

পরিসংখ্যান বলছে, এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি কিট আনা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ কিট বিভিন্ন ভেন্ডরের মাধ্যমে ক্রয় করেছে কেন্দ্রীয় ঔষাধাগার। বাকি দুই লাখ এসেছে বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছ থেকে। কয়েক দফা একাধিক প্রতিষ্ঠান কিট সরবরাহ করলেও এখনো তাদের বিল পরিশোধ করা হয়নি বলে জানিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, অর্থের অভাবে এখন ছোট ছোট লটে কিছু কিট আমদানি করছেন তারা। মন্ত্রণালয়ের এমন অব্যবস্থাপনা চলতে থাকলে এক সপ্তাহ পর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে কিট আমদানি। অন্যদিকে বেসরকারি ভাবে কিট আমদানি এবং পরীক্ষায় কিছুটা কমিয়েছে দীর্ঘসূত্রিতা ভোগান্তি।  তবে বেসরকারিভাবে করোনা পরীক্ষার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বর্তমানে কিটের মজুদ প্রায় ত্রিশ হাজার, দু’একদিনের মধ্যে আসবে আরও একটি লট।  চলতি মাসের শেষেই কিট সংকট কেটে যাবে বলেও জানান তিনি ।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close