দেশবাংলা

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীরবিক্রম মহিবুল্লাহর ৪৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলার দুই সুর্যসন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীরবিক্রম মহিবুল্লাহর ৪৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ। ১৯৭১ সালের এইদিনে এ দুই বীরসেনা স্বাধীনতার সূর্য উদয়ের মাত্র ৬ দিন আগে, খুলনার শীপইয়ার্ডের কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলায় শহীদ হন। কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৫ দশক পরও, তাদের মাজার প্রাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং স্মৃতি পাঠাগার নির্মিত না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধারা।

১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার সূর্য উদয়ের মাত্র ৬ দিন আগে, খুলনাকে শত্রুমুক্ত করতে মুক্তিকামী নৌ-সেনারা ভারতীয় ৩টি রনতরী নিয়ে, খুলনার পাকিস্থানী নৌ-ঘাটি তিতুমীর দখলে অভিযানে নামে। তারা খুলনার শিপইয়ার্ডের অদুরে পৌঁছুলে, ভুল সিগনালের কারনে, মিত্র বাহিনীর যুদ্ধ বিমানের নিক্ষিপ্ত বোমায়, তাদের রনতরী “পলাশ” জাহাজটি মারাত্বকভাবে বিদ্ধস্ত হয়। এতে  রুহুল আমীন ও মহিবুল্লাহ শহীদ হন। পরে তাদের রূপসা নদীর পূর্ব পাড়ে সমাহিত করা হয়।

যুদ্ধ পরবর্তী সময় রুহুল আমীনকে বীরশ্রেষ্ঠ ও মহিবুল্লাহকে বীরবিক্রম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তবে, নতুন প্রজন্মের মাঝে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মাজার প্রাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছেন, স্থানীয়  মুক্তিযোদ্ধাসহ তরুন প্রজন্ম। কিন্তু প্রায় ৫ দশক অতিবাহিত হলেও, তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, মাজার প্রাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মানে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান, জেলা প্রশাসক।

স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎ বরণকারী এই বীরসেনানীসহ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে, সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এমন প্রত্যাশা সবার।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button