দেশবাংলা

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন সরাসরি জাহাজ, কমেছে ঝক্কি

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন জাহাজ সার্ভিস কক্সবাজারের পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি দীর্ঘ সড়কপথ পাড়ি দেওয়ার বিড়ম্বনা কমানোয়, পর্যটকরা এখন স্বাচ্ছন্দ্যে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছাচ্ছেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে। রোমাঞ্চকর এই সমুদ্রযাত্রা আনন্দ ভ্রমণে নতুন যোগ করে বলেও মনে করেন তারা।

কক্সবাজার বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় ‘এমভি কর্ণফুলী’ জাহাজটি। সকাল না হতেই ঘাটে দেখা যায় মানুষের দীর্ঘ সারি। সবাই ছোটেন আগেভাগে জাহাজে উঠতে। এরপর শুরু হয় কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন সমুদ্র ভ্রমণের রোমাঞ্চকর যাত্রা।

করোনার থাবায় দীর্ঘদিন ঘরবন্দী থাকা মানুষেরা এবারের পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই ভ্রমণের জন্য বেছে নিয়েছেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে। এর আগে, সেন্টমার্টিনের যাত্রাপথটি ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য। সড়কপথে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ, তারপর সেখান থেকে জাহাজে সেন্টমার্টিন। এতে সড়ক পথে পর্যটকদের পোহাতে হতো নানা ঝক্কি।

দিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি আর ঝাঁকে ঝাঁকে শুভ্র গাঙচিলের ওড়াউড়ি, মুহূর্তেই প্রশান্তি এনে দেয় যেকোনো ভ্রমণপিপাসু মানুষের মনে।  উপকূলীয় অঞ্চলের মনোরম দৃশ্যও যেন ভুলিয়ে দেয় পথের ক্লান্তি।

প্রায় ৫৫ মিটার দীর্ঘ ও ১১ মিটার প্রশস্থ জাহাজটি ঘণ্টায় প্রায় ১২ নটিক্যাল মাইল গতিতে ছুটতে পারে। উভয় দিক থেকে গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা। তবে কিছু জায়গায় নাব্য সঙ্কট না থাকলে এ সময়সীমা আরও কম হতো বলে জানালেন, জাহাজটির ক্যাপ্টেন।

১৭টি ভিআইপি কেবিনসহ এই নৌযানে রয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রায় ৫১০টি আসন ব্যবস্থা। যাতে একসঙ্গে ৫৪৭ জন ভ্রমণ করতে পারেন। জাহাজটিতে যাত্রা করতে পর্যটকদের গুনতে হবে সর্বনিম্ন ২ হাজার ও সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button