বাংলাদেশঅন্যান্য

সংক্রমিত দেশ থেকে যাত্রী আসায় ঝুঁকি থাকছেই

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ায়, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। যদিও বাংলাদেশ এখনো লন্ডনের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ চালু রেখেছে, তবে সেক্ষেত্রে যাত্রীদের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আপাতত ফ্লাইট বন্ধের কোন পরিকল্পনা নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমিত দেশ থেকে যাত্রী আসা অব্যাহত থাকলে, বড় ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বাংলাদেশও।

করোনা দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত রাষ্ট্র। দ্রুত সংক্রমণক্ষমতা সম্পন্ন করোনার নতুন প্রজাতি ছড়িয়ে প পড়ছে। এ অবস্থায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এরমধ্যে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতও লন্ডনের সাথে বিমান চলাচল আপতত বন্ধ রেখেছে। বাংলাদেশের ঢাকা ও সিলেট থেকে এখনো লন্ডনে ফ্লাইট চালু রাখায়, সংক্রমণ ঝুঁকির শঙ্কার কথা জানালেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে বেশিরভাগই বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের। স্বভাবতই সিলেট-টু-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটে তাই যাত্রীদের নিয়মিত যাতায়াত।

ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সবশেষ লন্ডন থেকে আসা ফ্লাইটটির ২০২ যাত্রীর মধ্যে ১৬৫ জনই সিলেটের বাসিন্দা। এ কারণে বর্তমানে সিলেট অঞ্চলে করোনার নতুন স্ট্রেইনের সংক্রমণ ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে মনে করছেন বাংলাদেশ বিমানের সাবেক পরিচালক নাফিস ইমতিয়াজ।

তবে, বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এ মুহুর্তে যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধের কোন সম্ভাবনা নেই। তবে যাত্রীদের সর্তকতা ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বিমান বন্দরগুলোতে বললেন, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান।

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের হার অন্যান্য দেশের তুলনায় কম হলেও, মানুষের মাঝে সামাজিক দুরত্ব মানতে যে অনীহা, তাতে শঙ্কা থেকেই যায়। আর তাই স্বাস্থ্যবিধি মানার উপর আরো কঠোর নজরদারির বিকল্প নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button