বাংলাদেশঅন্যান্য

‘২০২১’ হবে ঘুরে দাঁড়ানোর বছর

২০২১ হবে ঘুরে দাঁড়ানোর বছর। জীবন ও জীবিকার ওপর আঘাতের যে চিত্র ২০২০ সালজুড়ে মানুষ দেখেছে, গত ১০০ বছরেও তা দেখা যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর কোন ভুল নয়, ২০২০ এর ক্ষত কাটিয়ে এখন শুধু এগিয়ে যাবার পালা। তবে করোনাকালের মাঝেও পৃথিবীতে ইতিবাচক পরিবর্তনগুলো নজর কেড়েছে সবার। আগামীদিনে তা ধরে রাখার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

পৃথিবীবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছিল ২০২০ সাল। মহামারির বিষাদে বছর বিদায় নিলেও রেখে গেছে তার ছাপ। সারাবিশ্বের অর্থনীতি যেন মুখ থুবড়ে পড়েছে। মন্দার আভাস ছিল ঠিকই, কিন্তু বিশ্বব্যাপী একসঙ্গে এভাবে বিপর্যয়ে পড়বে, কে ই-বা ভাবতে পেরেছিলো।

২০২০ সাল যেমন বিধ্বস্তের বছর, তেমনি অনেক কিছু শিক্ষা নেয়ারও বছর বললেন, সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অজয় দাশ ‍গুপ্ত। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দীক জানালেন, জলবায়ু পরিবর্তনে ২০২১ হতে পারে বিশ্বের জন্য হুমকি, তাই নতুন বছরে পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

এদিকে, ভাইরাস সংক্রমণ থেকে দুরে থাকা জনজীবনের ব্যস্ততা তবুও থমকে যায়নি। ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ঘরে বসে অফিসের কাজ সম্পাদনসহ যাবতীয় দৈনন্দিন ব্যস্ততা আয়ত্ব করেছে মানুষ। এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যা নতুন বছরের জন্য  হবে আশির্বাদ।

গেলো বছরটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্যখাতের ভঙ্গুর অবস্থাও। তাই স্বাস্থ্যখাতে আলাদা নজর দেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। এছাড়া ২০২১ সালে দেশে রেমিটেন্স প্রবাহের ক্ষেত্রেও নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ তাদের।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button