
জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের খেতাব কেড়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে, এর মাধ্যমে সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়ার অপচেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এরআগে, স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পর তার রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)।
একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
এতে করে জিয়াউর রহমানসহ এই পাঁচ জন এবং তাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোনও ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জামুকার ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিল করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা পদক পান ২০০৩ সালে। আর তা বাতিল করা হয় ২০১৬ সালে।



