বাংলাদেশজনদুর্ভোগ

লকডাউনের খবরে বাড়ি ফেরার হিড়িক

লকডাউনে সবকিছু বন্ধের খবরে আগাম ঢাকা ছাড়ছে বহু মানুষ। তারা বলছেন, আয়-রোজগার সংকটের শঙ্কায় বাড়ি ফিরছেন। দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিকল্প যানবাহনে ঝুকি নিয়ে যাত্রা করছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে বাড়তি টাকার যেমন খরচ করতে হচ্ছে,পদে পদে ভোগান্তির শেষ নেই। ভীড়-ব্যস্ত এসব ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় উপেক্ষিতও করোনাভাইরাসের স্বাস্থ্যবিধি।

করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায়, সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বস্তরের চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায়, রাজধানী ছেড়ে বাড়ির পথে অনেক উগ্বিঘ্ন মানুষ। কর্মস্থল বন্ধ থাকলে আয়-রোজগার কি হবে? কিভাবে চলবেন? তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই পরিবার নিয়ে ঢাকা ছাড়ছেন তারা। সংক্রমণ ঠেকাতে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ঝুকি নিয়ে বিকল্পভাবে ছুটছেন এসব মানুষ।

সকাল থেকেই রাজধানী থেকে বের হওয়ার সব রুটেই ঘরমুখো মানুষের ঢল। সায়দাবাদে সড়কের পাশে অপেক্ষায় হাজারো যাত্রী। তাদের বেশিরভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ। বাস না থাকায় অন্য ছোট যানবাহনে গাদাগাদি করে যাত্রা করছেন তারা। কোনো পিকাপ কিংবা প্রাইভেট কার থামতে দেখলেই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন অনেকেই।

তারপরেও মিলছে না বাহন। বাধ্য হয়ে বাড়ির পথে অন্তত যতদূর যাওয়া যায় সিএনজি,মোটরবাইকে যাত্রা করছেন অনেক মানুষ। যারা তাও জোটাতে পারছেন না তাদের অনেককেই পায়ে হেটেও রওনা দিতে দেখা গেছে। আবার কেউবা চিকিৎসা নিতে এসে, ফিরে যেতে না পেরে পড়েছেন বিপাকে।

ঝুকিপূর্ণ ভাবে এমন যাত্রায় কোনরকম স্বাস্থ্যবিধি মানার তোয়াক্কা নেই। বিশেষ বয়স্ক, নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন।তিন চারগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন সবাই। সুযোগ বুঝে চড়া দাম হাঁকছেন বিকল্প এসব বাহনের চালকরা,দৌরাত্ম বেড়েছে একশ্রেনীর দালালদেরও।চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও প্রশাসনের চোখের সামনে চলছে এমন দৌরাত্ম। সায়দাবাদ জনপদের মোড়ে বাংলাটিভির ক্যামেরা দেখে বেশ তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। মানুষের এর বেপরোয়া চলাচলে করোনা সংক্রমণ ঝুকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button