Uncategorized

সন্ধান মিলেছে লকডাউন নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভাইরাল পথশিশু মারুফের মায়ের

অবশেষে সন্ধান পাওয়া গেছে লকডাউন নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাতারাতি আলোচনায় আসা সেই পথশিশু মারুফের মায়ের। বাংলা টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের অনুসন্ধানে খোজ পাওয়া য়ায় মারুফের মায়ের।কথা হয় তার মায়ের সঙ্গে। জানালেন, ৩ বছর ধরে ছেলের আশায় প্রহর গুনছেন তিনি। এদিকে, পথশিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরে রাখা হয়েছে জানিয়ে, যোগাযোগ করলে আইনী প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

করোনা সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় পথশিশু মারুফের এই বক্তব্য।

আলোচনায় আসার পর মারুফের অভিভাবকের খোঁজ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু কোন সন্ধান না পেয়ে তাকে নেয়া হয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে।

তবে, বাংলা টিভির অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে পথশিশু মারুফের আসল  পরিচয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সাগরিয়ার জোখালী গ্রামের মহিমা খাতুন ২০০৪ সালের দিকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ  হন গাজীপুরের আলমগীর হোসেনের সঙ্গে। মারুফ জন্ম নেওয়ার পর দ্বিতীয় ছেলের প্রসূতিকালে অন্য একজনকে বিয়ে করেন আলমগীর। তারপর থেকেই মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করে ২ ছেলেকে নিয়ে প্রায় ৬ বছর কাটিয়ে দেন শশুর বাড়িতে।

মহিমা জানান, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ডের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন তিনি । কিন্তু ২০১৮ সালের দিকে দাদার বাড়ি গাজিপুর থেকে হারিয়ে যায় মারুফ।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসার পর ঢাকায় গিয়েও খুঁজে এসেছেন ছেলেকে। কিন্তু না পেয়ে ফিরে এসেছেন হতাশ হয়ে।

৩ বছর ধরে ছেলেকে হারিয়ে পথে পথে ঘুরছেন মহিমা, কখন  দেখা পাবেন সেই আশায় আছেন তিনি।

মারুফ ভালো আছেন এবং অভিভাবকের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করলে আইনী প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রের এই কর্মকর্তা।

যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া শেষে আদরের সন্তানকে কাছে ফিরে পাবেন এমনটাই প্রত্যাশা মহিমার।

বাংলাটিভি/ নিউজ ডেস্ক

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button