খেলাধুলাক্রিকেট

বাংলাদেশের কাছে হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ে

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৯ ম্যাচ জিতে দলটিকে আরেকবার হোয়াইটওয়াশ করলো টাইগাররা।

সিরিজের পুরো ৩০ পয়েন্টে সুপার লিগের টেবিলের শীর্ষ দল ইংল্যান্ডের সঙ্গে টাইগারদের ব্যবধান কমে দাঁড়ালো মাত্র ১৫ পয়েন্ট।

হারারেতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ৪৯.৩ ওভার শেষে ২৯৮ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়ে জিম্বাবুয়ে। এদিন জিম্বাবুয়ের ইনিংসে ফিফটি হাঁকান তিন ব্যাটসম্যান। সর্বোচ্চ ৮৪ রান আসে প্রমোশন নিয়ে ওপেনিংয়ে খেলতে নামা রেজিস চাকাভার ব্যাট থেকে। ছয় ও ৭ নম্বরে ব্যাট হাতে যথাক্রমে ৫৭ ও ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন সিকান্দার রাজা-রায়ান বার্ল।

এদিকে জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৯৯ রানের বড় টার্গেট তাড়ায় ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তামিম ও লিটনের জুটিতে আসে ৮৮ রান। ৪৬ বলে তামিম দেখা পান ফিফটির। লিটনও ছুটছিলেন ফিফটির দিকে। কিন্তু ওয়েসলি মাধেভেরের বলে সুইপ শট খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে থাকা মারুমানির হাতে ক্যাচ তুলে দেন এই ডানহাতি।

লিটনের বিদায়ের পর তিনে নামা সাকিবও দারুণ শুরু করেছিলেন। তামিমের সঙ্গে গড়েছিলেন ৫৯ রানের জুটি। তবে ব্যক্তিগত ৩০ রানে লুক জঙওয়ের বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটরক্ষক চাকাভার হাতে ক্যাচ তুলে দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

তবে একপ্রান্তে ধরে রেখে তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি।  তবে এরপর বেশিদূর যেতে পারেননি তামিম। তিরিপানোর বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটরক্ষক চাকাভার হাতে ক্যাচ দিলে শেষ হয় ১১২ রানের ইনিংস। তারপরের বলেই মাহমুদউল্লাহ হাঁটেন ড্রেসিং রুমের পথে।

চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে পথ দেখাচ্ছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন ও দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা নুরুল হক সোহান। একদিকে সোহান আগ্রাসী ব্যাটিং করলেও মিঠুন খেলছিলেন দেখেশুনে। আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিও স্পষ্ট হয়ে উঠছিল মিঠুনের ব্যাটিংয়ে। শেষ পর্যন্ত দলকে ২৬৮ রানে রেখে মাধেভেরের বলে চাতারার হাতে ক্যাচ তুলে দিলে শেষ হয় তার ৫৭ বলে ৩০ রানের ইনিংস।

মিঠুন ফিরলেও অপরপ্রান্তে রানের চাকা সচল রাখেন নুরুল হাসান। তার আগ্রাসী ৩৯ বলে ৪৫ রানের ব্যাটিংয়েই শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটের জয় পায় সফরকারীরা।

বাংলাটিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button