fbpx
দেশবাংলা

ইজারাদার বিহীন চলছে খোকসা খেয়াঘাট, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গড়াই নদীর খেয়াঘাটে ৫২ দিন ধরে নেই ইজারাদার। বলতে গেলে ভূতুড়ে খেয়া ঘাটে পরিনত হয়েছে ঘাটটি।মাঝিমাল্লা ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা টোলের টাকা হরিলুট করছে, প্রতিদিনই হাজার হাজার টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

এছাড়াও এই সময়ে নির্ধারিত টোলের অতিরিক্ত আদায় করছে আদায়কারীরা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পারাপারকারীরা

জানা গেছে, খোকসা খেয়াঘাট নিয়ন্ত্রণ করে জেলা পরিষদ। নিয়ম অনুযায়ী চলতি বছরের গত ৩০ জুন ঘাটের ইজারার মেয়াদ শেষ হয়। ওই দিনই ঘাট ছেড়ে দেয় ইজারাদার মুক্তার হোসেন। কিন্তু ইজারাদার ছেড়ে গেলেও ঘাট ছাড়েনি মাঝিমাল্লা ও টোল আদায়কারী কর্মচারীরা। তারা প্রতিদিনের আদায়কৃত টোল ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। তবে এতদিনেও বিষয়টি নজরে আসেনি জেলা পরিষদের।

খোকসা খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিনই চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ ও যানবাহন পারাপার হয়। মানুষ তিন টাকা নির্ধারন করা থাকলেও বর্তমানে নেওয়া হচ্ছে পাঁচ টাকা। মানুষসহ বাই সাইকেল পাঁচ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে দশ টাকা। মোটরসাইকেলসহ মানুষের কাছ থেকে দশ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে পনেরো টাকা। ঘাটে প্রতিদিনই টোল আদায় হয় বিশ থেকে পঁচিশ হাজার টাকা।

এবিষয়ে সদ্য বিদায়ী খোকসা খেয়াঘাটের ইজারাদার মোক্তার হোসেন বলেন, গত ৩০ জুন ঘাটের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আমি ঘাট ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে কারা কি করছে তা জানিনা।

রোববার (২২ আগষ্ট) বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, ঘাটে পূর্বের ইজারাদারের কর্মচারীরাই টোল আদায় করছেন। এবিষয় টোল আদায়কারী সোহেল বলেন, এখন ঘাটে কোন ইজারাদার নেই। আমরা কর্মচারীরাইই টাকা তুলে ভাগ করে নিই। প্রতিদিন দশ থেকে পনেরো হাজার টাকা তোলা হয়।

বর্তমান ঘাটের প্রধান আদায়কারী দুলাল বলেন, ঘাটে ইজাদার নেই। জেলা পরিষদ কিছু বলেনি। লোকজনের পারাপার সচল রাখতে আমরা নৌকা চলমান রেখেছি। যা আদায় হয় তা সবাই ভাগ করে নিই।

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের  প্রশাসনিক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুজ্জামান বলেন, ৩০ শে জুন ঘাঁটের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু পূর্বের ঘাট মালিকরায় সর্বোচ্চ ডাকদাতা হিসেবে টাকা আদায় করছেন। তবে তাদের এখনও ওয়ার্ক অর্ডার  পত্র হাতে দেওয়া হয়নি।

বাংলাটিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button