fbpx
বাংলাদেশঅপরাধআইন-বিচারসরকার

কুমিল্লার ঘটনা যার প্ররোচনায় ঘটেছে তাকে ধরা গেলেই সব জানা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কার নির্দেশে এবং প্ররোচনায় কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন শরীফ রাখার ঘটনা ঘটেছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিক রোহিঙ্গাদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃংখলা সম্পর্কিত বিষয়ে জাতীয় কমিটির সভা শেষে, তিনি একথা বলেন। এসময় দুর্গাপূজার সময়ে কুমিল্লা থেকে শুরু করে রংপুর পর্যন্ত যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো, বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে, কোনো আতঙ্ক নেই। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সেলক্ষ্যে সারাদেশে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, কুমিল্লার ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে একজনকে ধরা হয়েছে। অভিজ্ঞ টিমের পর্যবেক্ষণ শেষে এটা জানা গেছে। ওই ব্যক্তি কার নির্দেশে ও প্ররোচনায় এ কাজ করেছে তা বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সে একা এ কাজ করেনি। কারো নির্দেশে করেছে। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। আটককৃত ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না। তাই তাদের ধরতে সময় লাগছে। তাদের ধরা গেলে সব তথ্য বের হয়ে আসবে।

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে তিনি বলেন, কক্সবাজার এবং ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও বাড়ানো হবে। বিশেষ করে কোস্ট গার্ড। ক্যাম্পগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সন্ধ্যার পর মিয়ানমার থেকে কোনও ইঞ্জিনচালিত বাহন আসবে না। নাফ নদীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকি আরও বাড়ানো হবে।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।বাকি রোহিঙ্গাদের ডিসেম্বরের মধ্যে ভাসানচরে নেওয়া হবে। মহিবুল্লাহ হত্যার সাথে জড়িত কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তারাই এই হত্যার সাথে জড়িত।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button