fbpx
দেশবাংলা

গাইবান্ধায় কিটনাশক প্রয়োগেও রক্ষা করা যাচ্ছেনা ক্ষেতের ধান

জমিতে ফলানো কষ্টের ফসল খাচ্ছে পোকা। এতে হতাশায়,গাইবান্ধার হাজার হাজার কৃষক। ফসল রক্ষায় একাধিকবার কীটনাশক প্রেয়োগেও মিলছেনা,কোন সুফল। জেলা কৃষি বিভাগ থেকেও দেয়া হচ্ছেনা,পরামর্শ,অভিযোগ কৃষকদের। এদিকে, জেলা কৃষি বিভাগ বলছে,পোকার আক্রমন থেকে ফসল রক্ষাসহ,মাঠ পর্যায়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গাছাবাড়ী গ্রামের কৃষক আব্দুল আউয়াল।৭ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে আমন ধানের চাষ করেন। জমি প্রস্তুত,সার,পানি সব দেয়ার পর,যখন ধান গোলায় তোলার স্বপ্নে বিভোর,ঠিক তখনই ফসলে দেখা দিয়েছে পোকার আক্রমন। এতে নষ্ট হচ্ছে,বিঘা-বিঘা ধানের ক্ষেত। একাধিকবার কীটনাশক প্রয়োগেও  রক্ষা হচ্ছেনা ফসল। তার মতো হাজার হাজার কৃষকের একই অবস্থা।

গত কয়েক বছরের বন্যার ধকল কাটিয়ে, এবছর বন্যা না হওয়ায়,বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে আমন ধানের চাষ করলেও, পোকার আক্রমনে সে স্বপ্ন ভাঙ্গতে বসেছে। জমিতে বারবার স্প্রে কোরে, পোকা নিধনের চেষ্টা করলেও,ফসল রক্ষায় পরামর্শ দিতে আসেনি,কোন কৃষি কর্মকর্তা। এমনকি রোগের ধরন দেখে, কৃষি বিভাগ থেকে মিলছে না কোন সহায়তা,অভিযোগ কৃষকদের।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে,পোকার আক্রমন থেকে ফসল বাঁচাতে, আলোক ফাঁদ, জৈব কিটনাশক ও বালাইনাশক ব্যবহার এবং কৃষকদের সচেতনতায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান,কৃষি কর্মকর্তা।

এ বছর গাইবান্ধার ৭ উপজেলায়,১ লক্ষ ২৯ হাজার ৪শ ৮০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে,১লক্ষ ২৮ হাজার ৯০ মেট্রিক টন।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button