fbpx
অর্থনীতিদেশবাংলা

ড্রাগন চাষে স্বাবলম্বী শেরপুরের কৃষকরা

ড্রাগন চাষে সাফল্য পাওয়ায়, শেরপুর জেলার কৃষকরা ফণিমণসা জাতীয় এই ফলটি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। ইতোমধ্যে ড্রাগন চাষ কোরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীও হয়েছেন অনেক কৃষক। আর চাষিদের মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

২০১২ সালে নকলা-নালিতাবাড়ীর সংসদ সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী, বেগম মতিয়া চৌধুরীর নির্দেশে, জামালপুর হর্টিকালচার সেন্টার নকলার ৩২০ জন প্রান্তিক কৃষককে, ড্রাগন ফলের কাটিংকৃত চারা সরবরাহ করে। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়াসহ বিনা খরচে, প্রয়োজনীয় উপকরণও সরবরাহ করা হয়।

ওই প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে, নকলার বানের্শ্বদী ইউনিয়নের মোজারবাজার, পোলাদেশী, চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের রামপুর,বাছুরআলগা এলাকার অর্ধশতাধকি কৃষক, বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগনের আবাদ কোরে লাভবান হয়েছেন।

এসব কৃষকদের সফলতা দেখে অন্যরাও শুরু করেছেন ড্রাগন চাষ। অনেকেই বসতবাড়ির আঙিনা ও অনাবাদী জমিতে এই ফলের চাষ করেছেন।

আগামী কয়েক বছরে, জেলার অন্যান্য ফলের মধ্যে ড্রাগনও বড় একটা স্থান দখল করবে বলে আশা, কৃষি বিভাগের, শেরপুরের মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের জন্য উপযোগী। ফলে এ অঞ্চলে এই ফল  চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button