মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে: প্রধান উপদেষ্টা
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম ১৯৭১ সালের রণক্ষেত্রে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনীর নৃশংস আক্রমণের পরপর ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সাথে নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। তাই ২১ নভেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধের একটি মাইলফলক হিসেবে গৌরবের সাথে পালন করা হয়। আমরা যদি বিজয় অর্জন না করতাম তাহলে এই বীর সেনাদের মৃত্যুদণ্ড ছিল অনিবার্য। অসহনীয় হয়ে যেত তাদের পরিবারের সকল সদস্যের জীবন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১৬ ডিসেম্বরে স্বাধীনতা-সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় এনে দিয়েছিল। ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
বক্তব্যের শুরুতে আজ ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ এবং ২৪-এর অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করেন তিনি।



