ফিফার তথ্যমতে– ব্যক্তিগত ক্রেডিট কার্ডের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৫ দিনে ১৫ কোটির বেশি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে। চলমান এই প্রথম ধাপের টিকিটিং পর্বে বিদ্যমান টিকিটের তুলনায় চাহিদা ৩০ গুণেরও বেশি। অর্থাৎ, প্রাথমিক ধাপে যে পরিমাণ টিকিট রয়েছে সেই সংখ্যাকে অনেকাংশে ছাড়িয়ে গেছে। ১১ ডিসেম্বর র্যান্ডম সিলেকশন পদ্ধতিতে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পর থেকেই আগ্রহের মাত্রা অতীতের সব বিশ্বকাপকে ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে এমন উন্মাদনাকে ‘ফুটবলের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তার স্পষ্ট প্রমাণ’ বলে উল্লেখ করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তার মতে– মাত্র প্রথম দুই সপ্তাহেই এত বিপুল আবেদন প্রমাণ করে বিশ্বজুড়ে ফুটবল কতটা গভীরভাবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ইনফান্তিনো বলেন, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আয়োজন। প্রথম ১৫ দিনেই ১৫ কোটির বেশি টিকিটের আবেদন পড়েছে, যা এই আসরকে ৩০ গুণ অতিরিক্ত চাহিদাসম্পন্ন করেছে। ২০০টিরও বেশি দেশের ভক্তদের এই আগ্রহ সত্যিই অবিশ্বাস্য।’
আসন্ন বিশ্বকাপ ইতিহাস গড়বে বলেও দৃঢ় বিশ্বাস ফিফা সভাপতির, ‘উৎসাহী ভক্তদের এই বিপুল সাড়া প্রমাণ করে আমাদের খেলাটি বিশ্বজুড়ে মানুষ কতটা ভালোবাসে। উত্তর আমেরিকায় আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি, যেখানে ফুটবলের মাধ্যমে বিশ্বকে একত্রিত করা হবে।’
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ এক অনন্য অবস্থানে আসীন হতে চলেছে। এখন পর্যন্ত টিকিটের চাহিদা ১৯৩০ সাল থেকে অনুষ্ঠিত সব বিশ্বকাপ ম্যাচের মোট দর্শকসংখ্যাকেও কয়েক গুণ ছাড়িয়ে গেছে। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে ৪৮টি দল মিলে খেলবে ১০৪টি ম্যাচ। যা হবে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি শহরে।



