কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ভেঙে পড়েছে মোবাইল ফোনের টাওয়ার

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক হয় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রির) সকালে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর ঝড়ে অন্তত ৩০টি বাড়িঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্তসহ তিন শতাধিক গাছপালা ভেঙে যায়। এছাড়াও উপজেলার তিন লাখ পীর এলাকায় একটি মোবাইল ফোনের টাওয়ার দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে পড়ে।
এ ঘটনায় ওই এলাকায় মোবাইলফোন ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া উপজেলার তিন লাখ পীর এলাকায় একটি মোবাইল ফোনের টাওয়ার দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় মোবাইলফোন ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে পুরো আকাশ কালো হয়ে তীব্র বেগে বাতাস শুরু হয়। সে সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে থাকে। ঝড়ের সময় কসবা উপজেলার তিনলাখ পীর, শিকারপুর, বাদৈর, মূলগ্রাম, মইনপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে অন্তত ৩০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে অনেক গাছপালা বাড়ি-ঘর ও কয়েকটি মসজিদ মাদরাসার ওপর আছড়ে পড়ে। এছাড়াও বাতাসের তীব্র গতিতে অনেক বাড়ি-ঘরের চাল উড়ে যায়। এ সময় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপচে পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ সময় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম জানান, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের কাজ চলমান রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ৩০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্নস্থানে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন সড়কের উপর থেকে গাছপালা সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে, সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ সময় এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ চলাচলকারীদের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে প্রতিবছরই বৃষ্টিপাত হলে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তারা এ সমস্যার সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।



