আন্তর্জাতিকইন্ডিয়াএশিয়া

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতীয় মন্ত্রীর মৃত্যু

বাংলা টিভি ডেস্ক: হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মারা গেছেন ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের মন্ত্রী ও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (জেএমএম) জ্যেষ্ঠ নেতা সুদিভ্য কুমার সোনু। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে জেএমএম ও ঝাড়খণ্ড সরকারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গিরিডিহের বিধায়ক সোনু পর্যটন, শিল্প, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুববিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে জেএমএম এক্সে দেয়া এক পোস্টে বলেছে, ‘জেএমএম পরিবারের সদস্যরা সুদিভ্য কুমারের আকস্মিক মৃত্যুতে হতবাক ও শোকাহত। তিনি দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী এবং ঝাড়খণ্ড সরকারের নিবেদিতপ্রাণ মন্ত্রী ছিলেন।’

দলটি বলেছে, সোনুর মৃত্যুতে দলের নেতাকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। সরকার ও ঝাড়খণ্ডের জন্য তার মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেছে তারা। একই সঙ্গে দলের প্রতি তার অবদানের কথা স্মরণ করে তার পরিবার ও সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে জেএমএম।

এদিকে সুদিভ্য কুমারের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, এই মৃত্যু তার জন্য ব্যক্তিগতভাবে গভীর বেদনার। তিনি সোনুকে তার বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা, পরামর্শদাতা এবং ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে স্মরণ করেন। রাজ্যের পরিচয় ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোনুর অবদান কখনো ভুলে যাওয়ার নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঝাড়খণ্ডের পরিবহন, রাজস্ব ও ভূমি সংস্কারমন্ত্রী দীপক বিরুয়া জানান, শনিবার রাতে সোনুর শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এক বার্তায় বিরুয়া বলেন, ‘ঝাড়খণ্ড সরকারের আমার সহকর্মী ও ভাই সুদিভ্য সোনুর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। গত রাতে তার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হয়। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’

তিনি আরও বলেন, সোনুর মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানান তিনি। বিরুয়া বলেন, ‘ঈশ্বর তার আত্মার শান্তি দিন এবং এই শোক সহ্য করার শক্তি তার পরিবারকে দিন।’

২০১৯ সালে গিরিডিহ বিধানসভা আসন থেকে নির্বাচিত হওয়া সোনু স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত সোনু জেএমএমকে বিভিন্ন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এর মধ্যে ২০২৪ সালে জমি জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের মামলায় সোরেন গ্রেপ্তার হওয়ার পরের সময়টিও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button