আন্তর্জাতিক

‘হাবিবি’ নামে রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি গঠন করলেন সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান থেকে প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার পর ‘হাবিবি’ নামে একটি রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি (প্যাক) গঠন করেছেন আব্দুল এল-সায়েদ। নির্বাচনী বিজয়ের পর তার এই নতুন উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি বা প্যাক মূলত এমন একটি সংগঠন, যা রাজনৈতিক প্রার্থী ও ব্যক্তিদের পক্ষে তহবিল সংগ্রহ এবং তা ব্যয়ের কাজ করে থাকে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ‘হাবিবি প্যাক’ এল-সায়েদের পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত একটি লিডারশিপ প্যাক। এ ধরনের কমিটি রাজনীতিবিদদের নিজস্ব নির্বাচনী প্রচারণার তহবিল থেকে পৃথকভাবে পরিচালিত হয়।

আরবি ‘হাবিবি’ শব্দের অর্থ প্রিয়জন বা আমার প্রিয়। নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিভিন্ন বক্তব্যে শব্দটি ব্যবহার করতে দেখা গেছে এল-সায়েদকে। এমনকি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর দেওয়া ভাষণেও যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সকে ‘হাবিবি’ বলে সম্বোধন করেন তিনি।

ওই বক্তব্যে ভান্সকে উদ্দেশ করে এল-সায়েদ বলেন, ‘জেডি, হাবিবি, বিষয়টি বেশ আনন্দের যে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে আগামী জানুয়ারিতে আপনাকেই আমাকে শপথ পড়াতে হবে।’

মিসরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান আব্দুল এল-সায়েদ গত ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করেন।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় এল-সায়েদকে নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। এমনকি কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাকে ‘জিহাদি’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন তারা।

নির্বাচনে জয়ের পর ভান্সকে উদ্দেশ করে দেওয়া বক্তব্যে সেই সমালোচনার প্রসঙ্গই পরোক্ষভাবে তুলে ধরেন এল-সায়েদ। তার বক্তব্যের মূল ইঙ্গিত ছিল, নির্বাচনের আগে যিনি তাকে নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত সেই ভান্সকেই তার শপথ অনুষ্ঠানে ভূমিকা রাখতে হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button