ধর্ম

ডাকাতের কবলে ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল মাদানী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বস্তল থেকে গাউসিয়াগামী পাকন্ডা এলাকায় রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী। রোববার রাতে কুমিল্লা থেকে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকায় ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে।

ফেসবুক লাইভে এসে রফিকুল ইসলাম মাদানী জানান, রোববার রাতে কুমিল্লা থেকে ওয়াজ শেষ করে ফেরার পথে মহাসড়কের ওই এলাকায় পৌঁছালে ডাকাত দল আকস্মিক হামলা চালায়। মহাসড়কের ওপর বড় বড় ইট-পাথর রেখে গতিরোধ করা হয়। ঘটনার সময় চালক চরম সাহসিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। দ্রুত গতিতে গাড়িটি প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ গজ পেছনের দিকে ব্যাক করে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের বিপদ ও প্রাণহানির হাত থেকে রক্ষা পান রফিকুল ইসলাম মাদানী।

জনপ্রিয় এই বক্তা বলেন, ডাকাত দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে আশপাশের কয়েকজন যাত্রীর কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও ডাকাত দল অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায় এবং পুলিশ তাদের ধরতে পারেনি।

মাদানী বলেন, রাষ্ট্র আজ চরম হুমকির পথে। দেশে এখন আলেম সমাজ নিরাপতে ওয়াজ মাহফিল করতে পারেন না। মহান আল্লাহর রহমতে আমরা বেঁচেছি। পুলিশ তৎপরতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন করেন।

এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, আমি এ বিষয়টি ফেসবুকে দেখেছি।

মাদানীর অভিযোগকে অস্বীকার করে তিনি আরও বলেন, ২ মিনিটের মধ্যে পুলিশ হাজির হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। পুলিশ যদি সেখানে না থাকতো তাহলে ২ মিনিটের মধ্যে কিভাবে হাজির হয়। আসলে মাদানীর অনেক কথা কাল্পনীক মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো মামলা বা অভিযোগ হয়নি। এমনকি কাউকে আটকও করা হয়নি।

এদিকে, এই মহাসড়কে প্রায়ই ডাকাতির কবলে পড়ে সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীরা। দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে রাতের বেলায় এ ধরনের প্রকাশ্য ডাকাতির চেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত মহাসড়কের নিরাপত্তা জোরদার এবং জড়িতদের গ্রেফতারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button