
মাসুদ রানা : আর মাত্র ২ দিন পর শুরু হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ৪ অক্টোবর দেবী দুর্গার মূল পূজা শুরু হয়ে ৮ অক্টোবর বিজয়া দশমী পর্যন্ত ঢাকের বাদ্যে মুখরিত থাকবে মণ্ডপগুলো। চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের মণ্ডপে নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এবছর পাবনায় ৩শ ৪৪টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। মহলায় শেষে এখন চলছে প্রতিমা বরণের প্রস্তুতি। গতবারের চেয়ে এবার মন্ডপ বেড়েছে ৩টি। মন্ডপের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জেলায় দেখা দিয়েছে প্রতিমার শিল্পী সংকট। অন্যান্যবার একজন শিল্পী গড়ে ৩টি করে প্রতিমা বানালেও এবার বানাচ্ছেন ১০ থেকে ১৫টি। ফলে দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটছে তাদের।
এদিকে পুজায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কথা জানালেন,পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম।।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার গ্রামজামালপুরে এবারও তৈরী করা হয়েছে জেলার সবচেয়ে বড় শারদীয় দূর্গা মন্দির। মন্দিরটি শুধু জেলায় নয়, দেশের মধ্যেও বড় বলে দাবী আয়োজকদের। প্রায় ৭ হাজার বাঁশ দিয়ে তৈরী করা হয়েছে দূর্গা মন্দির। গত ৪ মাস দিন-রাত পরিশ্রম করে তৈরি করা হয়েছে এ মন্ডপ। এ মন্ডপে শুধু দুর্গাপূজা নয়,৭টি স্পটে প্রদর্শিত হবে হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন কাহিনী অবলম্বনে ৪ শতাধিক দেব-দেবীর মূর্তি।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এবছর ৬শ ৫২টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। অনেক মন্ডপে মূর্তি তৈরীর কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। চলছে রংতুলির আঁচড়ে সাজানোর কাজ। তবে শিল্পীরা জানান, ২-১ দিনের মধ্যেই প্রতিমা তৈরীর সব কাজ শেষ হয়ে মুর্তিগুলো প্যান্ডেলে উঠবে।
দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের সহযোগিতা চেয়েছে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায়। এছাড়া ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণীর বাঙ্গালী আনন্দে মেতে উঠবে, দুর্গা উৎসবে এমন প্রত্যাশাও জানান তিনি।



