দেশবাংলা

মৌলভীবাজারে কাঁচের দূর্গা প্রতিমা

সুরাইয়া সিমা : চন্ডীপাঠ, বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ঘরে ঘরে চলছে পূজার ধুম। রংবেরঙের পোশাক পরে বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভীড় জমিয়েছেন মন্ডব গুলোতে। সন্ধ্যায় ঢাকের তালে তালে আরতির জন্য রয়েছে বিভিন্ন ব্যবস্থা। পুরোহিতের মন্ত্রে প্রত্যেক মন্দিরে চলছে উৎসবের আমেজ।

মৌলভীবাজারে প্রথমবারের মত কাঁচের দূর্গা প্রতিমা তৈরী করা হয়েছে। ব্যতিক্রমী এ আয়োজনে দর্শনার্থী ও ভক্তদের কৌতুহল রয়েছে একটু বেশী। সোনালী ও রূপালী রংয়ের কাঁচের কারুকাজ করা ২০ ফুট উচ্চতার দূর্গা দেখতে সকাল থেকে ভিড় করছেন ভক্তরা।

শান্তিপূর্নভাবে পূজা সম্পন্ন করতে প্রশাসনের সাথে প্রতিটি পূজা কমিটির সমন্বয় করা হয়েছে।

বান্দরবানে কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির, বালাঘাটা মন্দির, কালাঘাটা,মেম্বারপাড়া ও রাজার মাঠসহ বিভিন্ন মন্ডপে চলছে দুর্গোৎসব। গতরাতে কেন্দ্রীয় দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদ, মন্ডপে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠী পুজার উদ্বোধন করা হয়। এবার জেলায় ২৭টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় এবছর ৬৯টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সারদীয় দূর্গোৎসব। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবারের ন্যায় এবারও, প্রতিটি মন্দিরে ৫শ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

শেরপুরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে আগমনী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক পরিক্রমা করে। বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,হিন্দু ধর্মাবলম্বিসহ পুলিশ, র‌্যাব ও জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। এসময় রঙবেরঙের ব্যানার, বিভিন্ন প্রতিমার প্রতিকৃতি এবং শিশুরা প্রতিমা সেজে এতে অংশ নেয়।

নোয়াখালীতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যা বুলু। চৌমুহনীর অপরুপা, দশভুজা, চন্ডিকাসহ বেশকিছু পূজামন্ডপ ঘুরে দেখেন তিনি। এসময় চৌমুহনী ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হুমায়ুন কবির, জেলা যুবদল সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমনসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়ায় এবার ৬শ ৬২টি মন্ডবে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মন্ডবগুলোর প্রবেশ দ্বারে রং-বেরঙের লাইট লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি মন্ডবকে ঘিরে জমে উঠেছে মেলা। শিশুরা মেলা থেকে কিনছে হরেক রকম খেলনা ও খাবার।

এখন শান্তিপূর্ণভাবে শ্বারদীয় দূর্গোৎসব শেষ হবে এমন প্রত্যাশা সবার।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button