লেবাননে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহবান

লেবাননে অর্থনৈতিক সংস্কার ও সরকার পতনের দাবিতে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান বিক্ষোভে বন্ধ রয়েছে স্কুল, কলেজ ও অফিস আদালতসহ সারাদেশের সব ব্যাংকিং কাযক্রম। এতে, দেশে টাকা পাঠাতে ১৫ থেকে ১৬ ডলার বেশি দিতে হচ্ছে বাংলাদেশিদের।
এছাড়াও গত ১৫ সেপ্টেম্বর যেসকল অবৈধ প্রবাসী দেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসে নাম নিবন্ধন করেছিলেন, চলমান আন্দোলন স্বাভাবিক না হলে এক থেকে দু’মাস পিছিয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার।
বাজেট অধিবেশন সামনে রেখে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলার অজুহাতে নিত্য প্রয়াজনীয় পণ্যসামগ্রীর ওপর করারোপ করে লেবানন সরকার। এর প্রতিবাদে গত ১৭ অক্টোবর রাজধানী বৈরুতসহ দেশটিতে বিক্ষোভ শুরু হয়।
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান বিক্ষোভে বন্ধ রয়েছে স্কুল, কলেজ ও অফিস আদালতসহ সারাদেশের সব ব্যাংকিং কাযক্রম। এতে, দেশে টাকা পাঠাতে ১৫ থেকে ১৬ ডলার বেশি দিতে হচ্ছে বাংলাদেশিদের। এমনকি লিরা বেশি দিলেও পাওয়া যাচ্ছে না ডলার।
রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার জানান, ডলার সংকটের ফলে লেবাননের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায়, দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে সমস্যা হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। মানি ট্রান্সফার কোম্পানীগুলো থেকে কয়েক গুন মূল্য বেশি দিয়ে তাদের ডলার ক্রয় করতে হচ্ছে।
এদিকে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর যেসকল অবৈধ প্রবাসী দেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসে নাম নিবন্ধন করেছিলেন চলমান আন্দোলন স্বাভাবিক না হলে এক থেকে দু’মাস পিছিয়ে যেতে পারে বলে আশংকা রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকারের।
দেশটির অভ্যন্তরীণ চলমান বিক্ষোভে অংশগ্রহণ হতে বিরত থেকে, সবাইকে সর্তকভাবে চলাফেরার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত।
বাবু সাহা, লেবানন থেকে



