জনদুর্ভোগবাংলাদেশ

করোনার নমুনা পরীক্ষা ও ফলাফল প্রাপ্তিতে ভোগান্তির অভিযোগ

রাজধানীর হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনার নমুনা পরীক্ষা ও ফলাফল প্রাপ্তিতে নানা ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। সংক্রমণ বাড়লেও কিট সংকটসহ নানা কারণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরীক্ষা করানো যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এদিকে, মহামারী নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নির্ভূল পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে প্রতিদিনই রেকর্ড সংখ্যক হারে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এ অবস্থায় প্রতিদিন আরও বেশি করে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার নমুনা পরীক্ষার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটি।

কিন্তু বাস্তবে এর ভিন্ন চিত্র। পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েকদিন ধরেই নমুনা পরীক্ষার পরিমাণ কমছে। বর্তমানে দেশের ৬২টি কেন্দ্রে কোভিড-১৯ শনাক্তের পরীক্ষা হচ্ছে, যার মধ্যে ঢাকায় ৩২টি এবং ঢাকার বাইরে ৩০টি। এর মধ্যে অনেকগুলো করোনা ল্যাব জানিয়েছে, কিট না থাকায় পরীক্ষা করাতে পারছে না তারা।

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা সত্ত্বেও নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষায় ভোগান্তির শেষ নেই। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থেকেও নমুনা দিতে পারছেন না তারা। ফলাফল পেতেও অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা আক্তার বলেন, বর্তমানে দেশে কীটের কোন সংকট নেই। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে কীট সংকটসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান না হলে বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা,  বিরূপ প্রভাব পড়বে স্বাস্থ্যখাতে।

এছাড়া মহামারী নিয়ন্ত্রণে নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর পাশাপাশি ফলাফল দেয়ার দীর্ঘসূত্রিতা দূর করার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাসুদ সুমন, বাংলাটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button