
করোনায় মৃত্যু,তাই মৃতদেহ দাফনে পাশে নেই স্বজন,প্রিয়জন,নেই এলাকাবাসী। ঠিক সেই সময় স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে মৃতদেহ দাফন বা সৎকারে এগিয়ে এসেছে একঝাক সাহসী যুবলীগ কর্মী। শুধু মৃতদেহ দাফনই নয় মৃতব্যাক্তির কবর খোড়া,করোনাকালে কৃষকের ধান কেটে বাড়ী পৌঁছে দেয়া থেকে শুরু করে, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছেন এই উদ্যোমী তরুনরা।
নভেল করোনা ভাইরাস পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের বহু মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে, তাকে দাফনে কেউ এগিয়ে আসছেনা। পরিবারের কেউ মারা গেলে স্বজন প্রিয়জন কিংবা প্রতিবেশি কাউকে পাশে পাওয়া যায়না। ঠিক এমন সময় মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম- সাধারণ সস্পাদক মোঃ মর্তুজা খানের নেতৃত্বে, একঝাক যুবলীগ কর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, মৃতদেহ দাফন করতে এগিয়ে এসেছে। ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক মৃতদেহের দাফন কাজ সম্পন্ন করেছেন তারা।
দাফনই নয় মৃতব্যাক্তির কবর খোড়া,করোনাকালে কৃষকের ধান কেটে বাড়ী পৌঁছে দেয়া থেকে শুরু করে, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও চালিয়ে যাচ্ছেন সরকার দলীয় এই কর্মীরা।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জিবিত হয়ে জীবনের শেষদিন পরযন্ত মানবতার মাতা শেখ হাসিনার মত অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন, এই যুবলীগ নেতা-কর্মীরা।করোনায় মৃত্যুবরণকারী মরদেহের সৎকার করে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মর্তুজা ও তার দল, বললেন জেলা সিভিল সার্জন।
মর্তুজার মত এমন আন্তরিকতা নিয়ে অসহায় ও দুখি মানুষের পাশে দাঁড়ালে,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব বলে মনে করেন, সুধিমহল।
বাংলাটিভি/শহীদ



