
পর্যটনের অপার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ। এখন প্রতিবছর প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ লাখ পর্যটক দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করে থাকেন। ২০১২-১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫-৩০ লাখ। যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ফলেই সাধারণ মানুষের ভ্রমণ পিপাসা বেড়েছে বলে মনে করছেন এ খাত সংশ্লিষ্টরা।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু দেশ স্বাধীনেই ভূমিকা রাখেননি, বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভিতও রচনা করে গেছেন। নিজস্ব সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে, তিনি সব সময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
বঙ্গবন্ধুর অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যেগ নেয় তার কন্যা শেখ হাসিনার সরকার। আর, তারই ধারাবাহিকতায়, গেল কয়েক বছরে অনেকটা সম্প্রসারিত হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন খাত। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের; যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, বাংলাদেশে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা থাকলেও, একে পণ্য হিসেবে গড়ে তোলা হয়নি; এখন সেদিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ সময়, পর্যটকদের জন্য সরকারের নেয়া নানা উদ্যেগের কথাও তুলে ধরনে তিনি।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রামচন্দ্র দাস বলেন, পর্যটন শিল্প বিকশিত করার মাধ্যমে একটি এলাকার পুরো আর্থ-সামাজিক চিত্রই পাল্টে ফেলা সম্ভব।
ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেল এন্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের গবেষণা মতে, বিশ্বের ১৮৪টি পর্যটনসমৃদ্ধ দেশের মধ্যে র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৬০ নম্বরে। আগামী ১০ বছরে তা ১৮তম অবস্থানে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি



