অপরাধআইন-বিচারবাংলাদেশ

সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়েছে। যুক্তি উপস্থাপনে সাহেদের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আবু। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী তাপস কুমার পাল শুনানিতে বলেন, এ মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সাক্ষীরা সাহেদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এ মামলায় প্রমাণ হয়েছে, সাহেদ দোষী। আমরা আদালতের কাছে সাহেদের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কামনা করছি। এরপর সাহেদের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শুরু করলে আদালত তা মুলতবি রেখে  পরে আগামী রোববার আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে গেল মঙ্গলবার সাহেদের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। গত ২৭ আগস্ট অস্ত্র মামলায় রিজেন্টের শাহেদের বিরুদ্ধে একই আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারকাজ শুরু হয়। এর আগে,৩০ জুলাই শাহেদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর গত ১৯ জুলাই সাহেদকে নিয়ে গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে সাহেদের ব্যক্তিগত একটি গাড়ি, একটি অবৈধ অস্ত্র ও ১৫ বোতল মদ উদ্ধার করা হয়।

 সে ঘটনায় সাহেদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে পুলিশ। মামলার পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাহেদকে হাজির করা হলে বিভিন্ন মেয়াদে তাঁকে রিমান্ডে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। এ ছাড়া সাতক্ষীরায় অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে দেবহাটা থানায় দুটি মামলা করা হয়।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button