
জামালপুরে ৯০ দশক থেকে যমুনা ও ব্রক্ষ্মপূত্র নদের করাল গ্রাসে বিলীন হয়েছে শত শত একর জমি-বসতভিটা।এতে নিঃস্ব হয়েছে অনেক পরিবার।সম্প্রতি ৪ দফা বন্যা শেষ হতেই দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।এতে আতঙ্ক আর হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন নদী পাড়ের মানুষ।তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে,ভাঙ্গন ঠেকাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।।
টানা ৪ দফা বন্যার পানি নেমে যাবার পর, জামালপুরের ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কাউনেরচর,গুচ্ছগ্রাম,বেপারীপাড়া,সরকারপাড়া, শেখপাড়ার ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে, হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও বসতভিটা।আবাদি জমি ও বসতভিটা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের মানুষ।এছাড়া দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অধিকাংশ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরোটাই বিলীন হয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্রে।
প্রতিবছর নদীগর্ভে বসতভিটা ও হাজার হাজার একর আবাদি জমি বিলীন হলেও,প্রতিকারের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।এ নিয়ে ভাঙ্গন কবলিতদের ক্ষোভের শেষ নেই।অবিলম্বে ব্রক্ষ্মপূত্র নদীতীরে বাঁধ নির্মানের দাবী ভুক্তভোগীদের।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে,ভাঙ্গনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।প্রকল্প বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।সংস্লিষ্ট কতৃপক্ষ নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত বাঁধ দিয়ে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করবে এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।
বাংলাটিভি/দেশবাংলা



