
সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না আলু। পাইকারিতে এখনো ৪৫, খুচরায় ৫০ টাকা কেজি। নিত্য প্রয়োজনীয় অন্য সবজির মূল্যও আকাশছোঁয়া। সপ্তাহ ঘুরেও বাজারে সবজির দাম না কমায় বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, বেপরোয়া মধ্যস্বত্বভোগী ও বাজারে অব্যবস্থাপনার কারণেই এমন দুরাবস্থা। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে, নজরদারি বাড়াচ্ছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।
বাঙালী রান্নার অত্যাবশকীয় নিত্যপন্য আলুর দাম অর্ধশত টাকায় ঠেকেছে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে। কোন কোন বাজারে আরো বেশি।
লাগামহীনভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার আলুর দাম কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ খুচরামূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও, তা কার্যকর হয়নি এখনও। শুক্রবারও রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে পাইকারি ৪৪ এবং খুচরায় ৫০ টাকার উপরে। এছাড়া এক মাসের বেশি সময় ধরে চড়া অন্যান্য প্রায় সবধরণের সবজির দাম। এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ক্রেতাদের মাঝে।
বিপনন অধিদপ্তর বলছে, এবার দফায় দফায় বন্যায় কৃষিপণ্যের উৎপাদন ব্যাহত ও করোনার জন্য বাজারমূল্যে প্রভাব পড়েছে। তবে, আলুর পর্যাপ্ত মজুদ আছে বলে হিসেব দিয়েছে এ কর্তৃপক্ষ। দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোল্ডস্টোরেজ থেকে খুচরা বাজার পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, অসাধু মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম এবং অব্যবস্থাপনার জন্যই কৃষক পর্যায় থেকে বাজারে, পণ্যের মুল্যে এই ফারাক।
ক্রেতারা আশা করেন, দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নজরদারি বাড়িয়ে নিত্য ভোগ্যপণ্যের দাম সাধারণ আয়ের মানুষের নাগালে আনবে।
শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি



