
মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট তৈরির মাধ্যমে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেছে দেশ। মাত্র দুই বছর আগে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ এখন স্মার্টফোন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কাছাকাছি। গেলো বছরে বিক্রিত স্মার্টফোনের ৬২ শতাংশই উৎপাদিত হয়েছে দেশের কারখানা থেকে।
শুধু মোবাইলফোনই নয়, বছর দুয়েকের মধ্যে দেশের সব ডিজিটাল ডিভাইসের চাহিদা দেশীয় কারখানা থেকেই মেটানো সম্ভব হবে বলে জানালেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমৃত্য চেষ্টা ছিল পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। বিশ্বের বুকে দেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করা। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৬ সালে দেশেই মোবাইলফোন কারখানা স্থাপনের নির্দেশনা দেয় আওয়ামী লীগ সরকার।
যুগান্তকারী এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশের প্রায় সব বড় প্রতিষ্ঠানই নিজস্ব কারখানা গড়ে তোলে। বর্তমানে চাহিদার ৬২ শতাংশ স্মার্টফোন হ্যাণ্ডসেট এবং ৫৭ শতাংশ ফিচারফোন সেট দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন আমদানি-নির্ভরতা কমেছে, অন্যদিকে দেশে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগও।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমদানি-নির্ভর জাতি হয়ে নয়, উৎপাদক হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতেই নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। যার ফলে বিশ্বের নামিদামি সব ব্র্যান্ড বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করছে।
এছাড়াও অল্প দিনের মধ্যেই ডিজিটাল ডিভাইসের চাহিদার পুরোটা দেশজ উৎপাদনেই মেটানো যাবে বলেও, প্রত্যাশা জানান তিনি।
বর্তমানে দেশে নয়টি মোবাইলফোন কারখানা রয়েছে। যার বড় পাঁচটি ব্র্যান্ড এখন আর দেশের বাইরে থেকে কোনো স্মার্টফোন আনছে না।
আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি



