
রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ’র বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটি।
কমিশনের তিন সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত দলটি রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায় এবং তদন্ত কাজ শুরু করে। এ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ্র। অন্য দু’জন হলেন, অধ্যাপক আবু তাহের ও জামাল উদ্দিন।
এর আগে শনিবার উপাচার্য কলিমউল্লাহর দুর্নীতি-স্বেচ্ছাচারিতার শ্বেতপত্র প্রকাশ করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ। সংবাদ সম্মেলনে ৭৫৮ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্রের সংক্ষিপ্ত সার পাঠ করা হয়। রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে, ২০১৭ সালে নিয়োগের পর থেকে, নানা অভিযোগে ভিসি কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে শতাধিক অভিযোগ জমা পড়ে।
উপাচার্য কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে আইন লঙ্ঘন করে নিজের পছন্দের ব্যক্তিতে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ, অবৈধভাবে প্লানিং কমিটি গঠন, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, নিয়ম বহির্ভূতভাবে ক্রয়, অবৈধভাবে চারটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া, যোগ্য শিক্ষক থাকার পরও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনপদ আঁকড়ে রাখা।
ইউজিসির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করেছে ইউজিসি।



