
করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট অধিক শক্তিশালী হওয়ায়, এর সংক্রমণ ঠেকাতে আরো সতর্কতা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরমধ্যে ভারত থেকে ফেরা কোন যাত্রী থেকে যাতে মিউটেশন না হয়, সেজন্য তাদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া ভাইরাস প্রতিরোধে বিকল্প কোন উপায় নেই- বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের অধিক ছড়িয়ে পড়া করোনা ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে সংক্রমণ ঠেকাতে শুরু থেকেই তৎপর সরকার। কয়েক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে সীমান্ত থেকে যাত্রী চলাচল। কেবলমাত্রা ভিসা মেয়াদ ফুরানো এবং জরুরি প্রয়োজনের যাত্রীরা দূতাবাসের অনাপত্তিপত্র সংগ্রহ করে দেশে প্রবেশ করতে পারছেন। তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া পরীক্ষা করানো হচ্ছে নমুনা।
এরই মধ্যে দেশে যে কয়েকজনের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের করোনা শনাক্ত হয়েছে তারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। কোয়ারেন্টির নিশ্চিত করায় তাদের থেকে অন্য কারো শরীরে ভাইরাসটির মিউটেশন হয়নি, বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আরো কঠোর তৎপরতার কথা জানালেন, এই কর্মকর্তা। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট যাতে বাংলাদেশে যাতে ভারতের মতো বিপর্যয় ঘটাতে না পারে সেজন্য বেশি বেশি টেস্ট করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের পাশাপাশি ব্যক্তি সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাটিভি/শহীদ



