ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল সাগর

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে এখন উত্তাল সাগর। দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর অনেক গ্রাম এরইমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে মাঠের ফসল ও মাছের ঘের। সেইসঙ্গে বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ো হওয়া বইছে। বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে এসব এলাকার বাসিন্দারা। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা করেছে মাঠকর্মীরা।
সাগর উত্তাল করে ভারতের উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে ছুটছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। তবে ঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলেও। এরইমধ্যে,জোয়ারের পানির তোড়ে প্লাবিত হচ্ছে মাঠ-ঘাটসহ বসতি এলাকা।
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব সাতক্ষীরার খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদীর পানি ৪ থেকে ৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্তত ২৬টি পয়েন্টকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
মোংলা সমুদ্রবন্দর ও তৎসংলগ্ন এলাকাতেও নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। দুপুর থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাস বইছে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে সকল মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলো নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লালুয়ায় বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভোলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে অসংখ্য ঘেরের মাছ।
এদিকে, কক্সবাজারেও সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রচন্ড ঢেউ আছড়ে পড়ছে সৈকতে।
বাংলাটিভি/রাজ



